অনলাইন ইনকাম সত্যিই সম্ভব ? অনলাইনে কাজ করতে কি কি প্রয়োজন দেখুন বিস্তারিত ২০২২

হ্যালো বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই আশা করি সকলে ভালো রয়েছেন ইনশাআল্লাহ আমি খুব ভালবেসেছি তাই আজকে আপনাদের সামনে আরো একটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম আমাদের আজকের বিষয়টি অনলাইন ইনকাম আজকে আমরা টোটাল একটি ফ্রি বেসিক কোর্স করব।

এবং আমাদের আজকের বিষয়টি হচ্ছে অনলাইন ইনকাম সম্প্রতি কিভাবে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন এর ছোট একটি ধাপ কিভাবে আপনি অনলাইনে খুব সহজে ইনকাম এর একটি পদ্ধতি তৈরি করে নেবেন এই বিষয়গুলো নিয়ে আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব আমাদের ওয়েবসাইটে আরো কিছু ইনকাম সম্পর্কিত আর্টিকেল পাবলিসিটি করা হবে অবশ্যই আর্টিকেলগুলো দেখে নিবেন।

আজকে আমরা শুধুমাত্র আলোচনা করব সাধারণদের ধানগুলো রয়েছে যে ধানগুলো আপনাকে পূরন করে তার পরবর্তী সময় কিন্তু পরবর্তী ধাপে যেতে হবে অনলাইনে কাজ করতে হবে আপনার অবশ্যই ধৈর্যের প্রয়োজন হবে যদি আপনার ধৈর্য একদম কম থাকে তাহলে কিন্তু আপনি অনলাইনে কাজের সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

তাহলে চলুন আমাদের আজকের টপিক এর সমস্ত বিষয় গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা যায় এবং যদি কারো কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হয় অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আমরা সেটা সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব যথাযথভাবে।

“অনলাইন ইনকাম” কি

আমরা প্রথমে শুরু করবো একজন সাধারন মানুষ নিয়ে তো একজন সাধারন মানুষ সর্বপ্রথম স্কুলে ভর্তি হয় অর্থাৎ তার বয়স যখন চার অথবা পাঁচ সেসময় কিন্তু সেই স্কুলে ভর্তি হয় ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার জন্য বা ভবিষ্যতে যেন সবকিছু খুব ভালোভাবে বুঝতে পারে এবং চিনতে পারে ও খুব ভালোভাবে যেন পড়তে পারে।

তোর সেই বাচ্চাটি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং তার ক্লাসগুলো কিন্তু আস্তে আস্তে উপরের দিকে চলে যায় একসময় সে ক্লাস টেন পাস করে পরবর্তী সময় দেখা যায় ফ্যামিলি থেকে বলতেছে তুমি এখন যেকোনো একটি কাজ করো তোমাকে আর করানো সম্ভব হচ্ছে না সেসময় আপনি কি কাজ করবেন ? সময় কিন্তু বাংলাদেশ অশিক্ষিত লোক খুব কম রয়েছে অধিকাংশ মানুষ কিন্তু শিক্ষিত বর্তমান সমাজে কিন্তু কতজন ভালো একটি চাকরি জব বা চাকরি করতেছে ?

যদি আপনি লক্ষ্য করেন যে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন 90 পার্সেন্ট লোক শিক্ষিত এখান থেকে আপনি যদি খুব ভালো ভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পারবেন 60 পার্সেন্ট লোক কিন্তু কোন রকম কাজ করতেছে আর বাকি 20 পার্সেন্ট লোক একদম বেকার বসে আছে কোন প্রকার কাজ খুঁজে পাচ্ছে না এদের ভবিষ্যৎ কি হবে ?

ফ্যামিলি থেকে কিন্তু সকলের এই চাপ রয়েছে সেটি অন্যের হক বা আমার নিজের যদি আপনি গ্রামে বসাসকারি হন এবং একটি কাজ করার জন্য ঢাকা শহরে যান সেখানে একটি চাকরি পেলেন মাসিক বেতন হচ্ছে 10000 টাকা আপনার পুরো মাস নিজের জন্য ব্যয় হবে মিনিমাম 1 থেকে 2 হাজার টাকা এবং আপনি যেখানে থাকবেন সেখানে দুই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হবে সকল টাকা খরচ হওয়ার পর দেখতে পারবেন যে আপনার কাছে তিন থেকে চার হাজার টাকা রয়েছে।

এর থেকে বেশি কিন্তু আপনার কাছে আর থাকবে না তো এই তিন থেকে চার হাজার টাকা যদি আপনি বাসায় প্রতিমাসে দেন তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এক বছরে কিন্তু আপনার এক লক্ষ টাকাও হচ্ছে না ? এতে কি আপনার ভবিষ্যতে কোন প্রকার কাজে আসবে আপনি একটু নিজে ভেবে দেখেন ?

এতে করে কিন্তু আপনার ফিউচার প্লান অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার কাজে আসবে না তাহলে কিভাবে আপনি আপনার ভবিষ্যৎ গড়বেন এটি একটু ভালোভাবে ভেবে দেখুন তাহলে আপনার বিবেক বা মাথা ঘুরে যাবে এই বিষয়গুলো যখন আপনি ভাববেন তখন দেখবেন যে সাধারণ একজন বেকার মানুষ কতটা অভাবে দিন পার করতেছে।

একটি সাধারণ একটি উদাহরণ স্বরূপ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম এটি কিন্তু আমাদের মেইন টপিক নয় তারপরও আপনাদের কে বোঝানোর জন্য একটি শেয়ার করা হলো এখন আমরা আমাদের যে কাজের কথা রয়েছে আমাদের আজকের বিষয় সেই গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

অনলাইন ইনকাম মূলত হচ্ছে এটি শুধুমাত্র আপনি ভার্চুয়াল জগতে করতে পারবেন এটি কিন্তু আপনি অফলাইনে করতে পারবেন না অর্থাৎ অফলাইনে যে আমাদের কাজ গুলো রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আপনি যদি একটি কোম্পানিতে কাজ করেন তাহলে আপনাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয় সেই কোম্পানিতে কাজের জন্য।

কিন্তু আপনি যদি অনলাইনে কাজ করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে অন্য কোথাও যেতে হবে না একজন ক্লায়েন্ট এর কাজ করার জন্য অথবা যদি আপনি কার কোম্পানিতে কাজ করেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে বাহিরে কোথাও যেতে হবে না কাজ সম্পর্কে কোন কিছু এর জন্য।

আপনি কিন্তু সম্পূর্ণ কাজ নিজের মত করে করতে পারবেন এবং সমস্ত কাজ কিন্তু আপনি আপনার ঘরে বসেই করতে পারবেন এতে কোন প্রকার সমস্যা হবে না এবং যারা অনলাইনে কাজ করে তাদের সম্পর্কে আপনি যদি কিছুটা হলেও জানেন আশাকরি আপনার এটি ভালো করে জানা রয়েছে যে সারাদিন তারা বাসায় বসে কিন্তু সকল ধরনের কাজ করে তারা কিন্তু অন্য কোথাও কাজ করার জন্য যায় নাহ্।

যদি আপনি মাসে অনলাইন থেকে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা ইনকাম করেন এক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে বাহিরে কোথাও যেতে হবে না কাজ করার জন্য সমস্ত কাজ কিন্তু আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে মোবাইল ফোন ল্যাপটপ কম্পিউটার এরকম এলেক্ট্রনিক বস্তু।

বর্তমান সময়ে সকল কিছু ডিজিটাল হয়েছে আশা করি যারা অনলাইনে কাজ করার জন্য আগ্রহী তাদের অবশ্যই কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ রয়েছে , এবং মোবাইল তো আশাকরি সকলের এই রয়েছে।

যদিও আমি অনলাইনে আমার সমস্ত কাজ মোবাইল ফোন দিয়ে করে থাকি আমার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এইগুলো কিছুই নেই সাধারন একটি মোবাইল ফোন দিয়ে আমি অনলাইনে আমার সকল কাজগুলো সম্পন্ন করে থাকি মাঝে মধ্যে কিছুটা সমস্যা হলেও সেটি অন্য ভাবে করার চেষ্টা করি।

অনলাইন ইনকাম এর প্রচেষ্টা

এখানে প্রচেষ্টা বলতে কী বোঝানো হয়েছে এখন আপনাদের সাথে সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব আশা করব প্রচেষ্টা সম্পর্কে আপনার খুব ভালো ধারণা হয়ে যাবে যদি আপনি এই প্রচেষ্টা সম্পুর্ন ভাবে পড়েন।

আপনাকে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য অবশ্যই খুব ভালোভাবে চেষ্টা করতে হবে এবং আমি আগেই বলে দিয়েছি আপনার অবশ্যই ধৈর্যের প্রয়োজন হবে কেননা এখানে কিন্তু আপনার অন্যান্য কাজে যে প্রথমে একটি ট্রেনিং দিতে হয় সেই রকম ভাবে আপনাকে কিন্তু আগে ট্রেনিং দিতে হবে বিভিন্ন ভাবে সেটি যে কোন মাধ্যম হতে পারে।

অর্থাৎ আপনি যদি অন্য কোন একটি জব করেন ধরুন আপনি একটি গভমেন্ট জব করতেছেন অর্থাৎ সরকারি চাকরি এবং আপনার চাকরি কী হলো আর্মিতে তোমার চাকরিটি হয়ে গেলে কিন্তু আপনি সাথে সাথে সেই চাকরিতে জয়েন করতে পারবেন না এর আগে আপনাকে আর্মিতে থাকা যে সকল মানুষ বর্তমানে রয়েছে তারা যে ট্রেনিং গুলো দিয়েছে অবশ্যই আপনাদের ট্রেনিং গুলো গ্রহন করে তারপরে কিন্তু আপনি চাকরিতে জয়েন করতে পারবেন।

সেই রকম ভাবে আপনি যদি অনলাইনে কাজ করতে চান অবশ্যই আপনাকে আগে কিছু কাজ practice বা ট্রেনিং করতে হবে তাহলে কিন্তু এক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে আপনি যেকোন কাজ খুব সহজে বুঝতে পারবেন যদি আপনি আগে সামান্য কিছু কাজও ট্রেনিং করে নেন।

আপনি একটি কাজ সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা করতে হবে যতক্ষণ না আপনি সেই কাজটিতে সফলতা অর্জন করতে পারছেন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি সেই কাজটি তে লেগে থাকবেন কেননা মানুষ যেকোন কাজে প্রথমবার যদি ব্যর্থ হয় তাহলে দ্বিতীয় বার কিন্তু সেই কাজটি আবার পড়ার চেষ্টা করে কেননা তার মধ্যে ধৈর্য রয়েছে এবং তার মধ্যে রয়েছে এই কাজটিতে সফলতা পাওয়ার মানসিকতা।

একদিন না একদিন সে এই কাজটিতে অবশ্যই সফলতা অর্জন করতে পারবে সেই রকম ভাবে আপনাকেও কিন্তু খুব ভালোভাবে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমি অবশ্যই এ কাজটি সম্পন্ন করব যে কোনভাবেই হোক এবং যেভাবেই হোক।

একটি কাজের জন্য খুব বেশি পরিমাণে প্রচেষ্টা করুন আপনার যতটুকু রয়েছে ততটুকু দিয়ে চেষ্টা করুন যদি আপনার একটি মোবাইল ফোন থাকে তাহলে শুধুমাত্র মোবাইল ফোন দিয়ে সেই কাজটি করার চেষ্টা করুন যদি আপনি একটি কাজও অনেকক্ষণ করার চেষ্টা করেন আশা করি সেই কাজটি অবশ্যই সফলতা আসবে এবং পরিপূর্ণভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

অনলাইনের কোন কাজ কিন্তু খুব ভারী নয় আবার খুব ওজন কম নয় অর্থাৎ এখানে আপনাকে সম্পূর্ণ কাজ করতে হবে মেধা খাটিয়ে আপনার মেধা এর ওপর নির্ভর করবে আপনার কাজ গুলি।

প্রতিটা মানুষ কে কিন্তু সৃষ্টিকর্তা খুব ভালো মেধা দিয়েছে কিন্তু মানুষ এই মেধা গুলো সঠিক কাজে বা সঠিক সময়ে ব্যবহার কর না।

অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন একটি মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইনে কাজ করা সম্ভব নয় আগে একটি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার কিনে নিন ? আপনার একটি মোবাইল ফোন থাকে তাহলে আপনি এখনো কিন্তু অনলাইনের কাজে লেগে যেতে পারে কেননা একটি মোবাইল ফোন দিয়ে প্রায় 90% কাজ করা সম্ভব তবে কিছুটা পরিশ্রম বেশী হবে।

অনলাইনে কাজ করতে কি কি প্রয়োজন

এখন আমরা আলোচনা করব অনলাইনে কাজ করতে আমাদের কি কি প্রয়োজন হবে এবং অনলাইনে কাজ করার জন্য যে বিষয়গুলির কারণে অনেকেই অনলাইন থেকে চলে গিয়েছেন বা এখন পর্যন্ত অনলাইনে কাজ করতে আগ্রহী নয় সে বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

সর্বপ্রথম হচ্ছে যে কারণটি জন্য অনেকেই অনলাইনে কাজ করার জন্য বর্তমান সময়ে আগ্রহী নয় সেটি হচ্ছে মোবাইল ফোন দিয়ে হয়তো বা অনলাইনে কাজ করা যাবে না এই বিষয়টির জন্য বেশিরভাগ মানুষ ভাবে যে মোবাইল ফোন দিয়ে হয়তো বা অনলাইনে কাজ করা সম্ভব নয়।

আমার মতে এই ধারণাটি একদম ভুল কেননা আপনি চাইলে কিন্তু মোবাইল ফোন দিয়ে সকল ধরনের কাজ অনলাইনে করতে পারবেন এবং একটি মানুষ সর্বপ্রথম চেষ্টা করে কিন্তু মোবাইল ফোন দিয়ে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে অনলাইন সম্প্রতিক।

মোবাইল ফোন এমন একটি বস্ত্র যেটি দিয়ে বর্তমান সময়ে সকল ধরনের কাজ করা যায় আগে হয়তো খুব বেশি পরিমাণে আপডেট ছিল না যার কারণে একটি মোবাইল ফোন দিয়ে খুব বেশি কাজ করা যেত না অর্থাৎ আমাদের সামাজিক জীবনের যে বিভিন্ন ধরনের কাজ গুলো রয়েছে সেই কাজগুলো মোবাইল ফোন দিয়ে করা যেত না।

কিন্তু বর্তমান সময়ে আমাদের সামাজিক জীবন এর সকল কাজ কিন্তু একটি মোবাইল ফোন দ্বারা সম্পন্ন করা যায় অর্থাৎ ঘরের বাহিরে আমাদের যে সামাজিক কাজ গুলো রয়েছে ধরুন আপনি একটি প্রোডাক্ট অর্ডার করবেন সাধারণভাবে উদাহরণ দিলে আপনি অনলাইন থেকে একটি শার্ট অর্ডার করবেন সেটি কিন্তু মোবাইলের মাধ্যমে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবেন।

অর্থাৎ আপনি বাংলাদেশের থাকার যেকোনো অনলাইন প্রডাক্ট কম্পানি থেকে আপনার মোবাইল ফোন দিয়ে যে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারবেন খুব সহজে কিন্তু একটি মোবাইল ফোন দিয়ে যেকোনো ধরনের অর্ডার যদি আপনার বাসায় বসে কোনো একটি খাদ্য জাতীয় খেতে মন চায় একে তো কিন্তু আপনি বাংলাদেশকে থাকা নামকরা কিছু খাদ্য রেস্টুরেন্ট থেকে খুব সহজেই অর্ডার করতে পারবেন।

বলতে গেলে এখন সবকিছু ডিজিটাল হয়ে গেছে তো সেইরকম ভাবে মোবাইল ফোনে এখন অনেক ধরনের ফিউচার রয়েছে যে ফিউচার গুলোর জন্য আপনি অনলাইনে থাকা যেকোনো কাজ সম্পূর্ণভাবে করতে পারবেন আপনি অনলাইনে যে সেক্টরে কাজ করতে চাচ্ছেন আগে সেই সেক্টরটির বিষয়ে কিছুটা ধারনা নিন ইউটিউব অথবা গুগলে সার্চ করে।

আপনি কিন্তু যে কোন সেক্টরে অনলাইনে কাজ করতে পারবেন এবং অনলাইনে হাজারো সেক্টর রয়েছে যে কোন সেক্টরে কিন্তু আপনি খুব সহজে কাজ করতে পারবেন একটি মোবাইল ফোন দিয়ে যদিও একটি ক্ষেত্রে কিছুটা পরিশ্রম বেশী হবে তবে আপনি কিন্তু যে কোন সেক্টরের কাজ মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই।

আপনি হয়তো কিছুটা জেনে অবাক হয়ে যাবেন আমি যখন প্রথমে অনলাইনে কাজ শুরু করি তখন আমার কাছে ছিলো সাধারন একটি বাটন মোবাইল ফোন একটি আইটেল বাটন মোবাইল ফোন আমার কাছে ছিল যেটা দিয়ে আমি সর্বপ্রথম একটি ওয়েবসাইট তৈরি করি এবং সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সকল কাজ ট্রেনিং করার চেষ্টা করি।

তো আপনার কাছে যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন থাকে তাহলে আপনি কেন পারবেন না অনলাইনে কাজ করতে যদি আপনার মন মানসিকতা থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই অনলাইনে কাজ করতে পারবেন যেকোন ধরনের ডিভাইস দিয়ে।

মোটকথা আপনি যদি অনলাইনে ইনকাম করতে চান অথবা আপনি যদি অনলাইনে কাজ করতে চান এক্ষেত্রে আপনার সর্বপ্রথম প্রয়োজন হবে ইন্টারনেট অর্থাৎ ইন্টারনেট ছাড়া কিন্তু আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন না অবশ্যই আপনার ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন হবে সেটি ওয়াইফাই হোক অথবা এমবিএ এর মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন অবশ্যই আপনার প্রয়োজন হবে।

যেকোনো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস অর্থাৎ একটি মোবাইল ফোন দিয়েও কিন্তু আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন অথবা আপনি চাইলে একটি ল্যাপটপ ডেক্সটপ কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন আপনার কাজের সুবিধার জন্য এক্ষেত্রে আরও ভালো হবে যদি আপনি কম্পিউটার ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন।

অনলাইন ইনকাম কাদের জন্য

এখন সাধারণ যে বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব সেটি শুনে হয়তো বা আপনি কিছুটা মন খারাপ করতে পারেন কেননা যাদের ধৈর্য একদম কম তাদের ক্ষেত্রে এই ঘটনাগুলো ঘটে থাকে যে বিষয়গুলো এখন আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আশাকরি আপনার সাথে হয়ত এমনটা ঘটে ছিল প্রথমত অবস্থা যদি আপনি বর্তমান সময়ে অনলাইনে কাজে অবস্থান করে থাকেন।

সর্বপ্রথম যখন একটি মানুষ অনলাইন এর যেকোনো কাজের জন্য আগ্রহী হয় তখন তার মাথায় প্রথমে যে বিষয়টি আসে সেটি হচ্ছে এখান থেকে আমি কবে টাকা তুলতে পারব আশা করি এই ধারণাটি আপনার মাথায় এসেছে কেননা আমি যখন প্রথমে এসেছি অনলাইন জগতে তখনও কিন্তু আমার সর্বপ্রথম চিন্তা ছিল কবে এখান থেকে আমি টাকা তুলতে পারব এই বিষয় নিয়ে।

এই চিন্তাটি সকলের আশার কথাই কেননা আমি যে অনলাইনে কাজ করবো আমাকে টাকা দেবে কে অর্থাৎ আমায় আমি যে পরিশ্রম করব অনলাইনে আমাকে সেই পরিশ্রম এর সম্পূর্ণ মূল্য দিবে কে এই বিষয়গুলো মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে এবং অনেকেই বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করতে করতে দেখা যায় যে অনলাইনে ইনকাম এর প্রতি আগ্রহ একদম কমে গিয়েছে এবং সে আর অনলাইনে কাজ করতে চাচ্ছেন না।

এরকমটা কিন্তু প্রথমত অবস্থায় অনেকেই চিন্তা করে থাকেন এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে আমি উপরে বলে দিয়েছি যে আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে আপনি যেকোনো কাজের জন্য যান না কেন অবশ্যই আপনার সেই কাজের কিছুটা হলেও দক্ষতা থাকতে হবে তাহলে কিন্তু আপনি যেকোন কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বা যে কোন চাকরি আপনি করতে পারবেন যদি আপনার দক্ষতা থাকে।

এইরকম ভাবে আপনার যদি দক্ষতা থাকে এবং ধৈর্য থাকে তাহলে কিন্তু আপনি অনলাইনে অনেক প্রচুর পরিমাণে কাজ করতে পারবেন এবং আপনি যদি খুব ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনাকে কাজ খুজতে হবে না মানুষ আপনাকে খুঁজে তারপর তাদের যে কাজ গুলো রয়েছে সেগুলো আপনাকে দিবে করার জন্য।

অবশ্য আপনার সেই কাজটির ওপর দক্ষতা থাকতে হবে এবং যেকোনো কাজের ওপর দক্ষতা অর্জন করতে আপনার বেশি পরিমাণে ধৈর্য প্রয়োজন হবে।

আপনার ধৈর্য থাকে তাহলে আপনি অনলাইনে থাকা ছোট থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ যে কাজগুলো রয়েছে সেই কাজগুলোকে খুব সহজেই সফলতা অর্জন করতে পারবেন অবশ্যই আপনার ধৈর্যের প্রয়োজন হবে অনলাইনে কাজ করার জন্য যদি আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান এই ক্ষেত্রে।

প্রথম ৬ মাস থেকে এক বছর আপনার চিন্তা থাকতে হবে কিভাবে আমি একটি অ্যাপ ডেভলপমেন্ট করব অর্থাৎ এটি সাধারণ ভাবে বোঝাতে চেয়েছি আপনি যে সেক্টরেই সর্বপ্রথম কাজ করার জন্য আগ্রহী হবেন সেই সেক্টর দিতে যাওয়ার পর আপনাকে সমস্ত বিষয় গুলো খুব ভালোভাবে জানতে হবে এবং সমস্ত বিষয়গুলো আপনাকে খুব ভালোভাবে জানার জন্য সর্বনিম্ন হলেও ছয় মাস সময় লাগবে।

আপনাকে কিন্তু এই ছয় মাস কোন প্রকার ইনকাম এর চিন্তা করা যাবে না যখনই আপনি শর্টকাট ইনকাম করার চেষ্টা করবেন তখন দেখবেন যে আপনার যে মেইন কাজ রয়েছে সেটির দিকে আর মনোযোগ যাচ্ছে না কেননা আপনি অনলাইনে ইনকাম করার জন্য খুব তাড়াহুড়া শুরু করেছেন।

যখন আপনি একটি কাজ খুব ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন তাঁর পরবর্তী সময় আপনাকে যা করতে হবে আপনার স্কেলটি বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে হবে যেন আপনার কাজগুলি মানুষ দেখতে পারে এবং যদি মানুষের কাছে আপনার কাজ গুলি পছন্দনীয় হয়ে ওঠে তাহলে পরবর্তী সময়ে কিন্তু আপনাকে আর কাজ খুঁজতে হবে না মানুষ আপনাকে খুঁজে তারপর তাদের কাজগুলো আপনাকে দিব।

কিভাবে অনলাইনে কাজ করার জন্য সেক্টর খুঁজে নিবেন।

যখন আপনি অনলাইনে ইনকাম এই বিষয়টি সম্পর্কে কারো মুখ থেকে একটি কথা শুনেন তখন আপনার মাথায় আসে যে কিভাবে অনলাইন থেকে মানুষ ইনকাম করতেচে অর্থাৎ কিভাবে মানুষ অনলাইনে কাজ করতেছে এবং সেই কাজগুলো তাদেরকে কে দিচ্ছে এই বিষয়গুলি আপনার মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে।

কেননা একটি মানুষ যখন সর্বপ্রথম অনলাইন কাজ বা ইনকাম সম্পর্কে জানে তখন তার এই বিষয়গুলো মাথায় অবশ্যই আসে এবং যদি কারো কাছ থেকে খুব ভালোভাবে সে বুঝতে পারে তাহলে তারও মাথায় চিন্তা আসে যে আমিও চেষ্টা করে দেখতে পারি অনলাইনে কাজ করে যদি কিছুটা সফলতা অর্জন করতে পারে এবং নিজের খরচটা চালাতে পারি অনলাইনে কাজ করে।

এগুলো তো নতুনদের মাথায় সব সময় শুধু ঘুরপাক খেতে থাকে যে কিভাবে অনলাইনে আমি কাজ করবো বা কি বিষয় নিয়ে অনলাইনে কাজ করলে খুব বেশি ইনকাম করা যাবে যদিও সকল সেক্টরে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করা যাবে যদি আপনার দক্ষতা থাকে এবং ধৈর্য থাকে।

আমি বুঝাতে চাচ্ছি আপনি অনলাইনে যে কোন সেক্টর থেকে প্রতিমাসে খুব ভালো পরিমাণ আয় করতে পারবেন তবে অবশ্যই আপনার ধৈর্য প্রয়োজন হবে এবং সেই কাজটির ওপর আপনার দক্ষতা অর্জন করতে হবে তাহলে কিন্তু আপনি প্রতিমাসে খুব ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজেই।

সর্বপ্রথম আপনি চিন্তা করবেন যে আমার অনলাইনে ইনকাম এর জন্য আগ্রহ জেগেছে কিন্তু আমি কি বিষয় নিয়ে অনলাইনে কাজ শুরু করব ? এক্ষেত্রে আমি আপনাকে সাজেশন করবো আপনি যে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানেন অর্থাৎ আপনার যে বিষয় সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা রয়েছে সেই বিষয় সম্পর্কে আপনি অনলাইনে কাজ শুরু করে দিন।

দারুন কিছু উদাহরণ ধরুন আপনার মোবাইল ফোন সম্পর্কে ধারণা রয়েছে এবং একটি মোবাইল ফোন দেখে বুঝতে পারেনি মোবাইল ফোনটি কি রকম অথবা এই মোবাইল ফোনটি তে কি কি ফিউচার রয়েছে এই বিষয়গুলো যদি আপনি বলতে পারেন অথবা আপনার যদি এই সম্পর্কে ধারনা থাকে তাহলে কিন্তু আপনি একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে মোবাইল ফোন সম্পর্কে রিভিউ দিতে পারেন।

এরপর হচ্ছে আপনি যদি ফটো এডিটিং এর বিষয়ে কিছুটা হলেও ধারণা হয়ে থাকে তাহলে কিন্তু আপনি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারেন ধরুন একটি সাধারন গেঞ্জি ডিজাইন এটিও কিন্তু অনলাইনে খুব বড় একটি কাজ যদি আপনি খুব ভালোভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন।

এরপর হচ্ছে আপনি যদি ওয়েব কোডিং অর্থাৎ ডেভলপমেন্ট সম্পর্কে কিছুটা ধারনা থাকে এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ ওয়েবসাইট অ্যাপ অথবা আরও বিভিন্ন ধরনের অনলাইন সম্প্রতিক কাজগুলো ডেভলপমেন্ট করতে পারেন।

মোট কথা হচ্ছে আপনি যে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানেন সেই বিষয়টি নিয়েই কিন্তু আপনি অনলাইনে কাজ শুরু করতে পারেন এবং যে বিষয়ে সম্পর্কে আপনার কিছুটা ধারনা রয়েছে সে সম্পর্কে আরো বিস্তারিত ভাবে অনলাইনে জানার চেষ্টা করুন তাহলে আশা করি সেই কাজটি সম্পর্কে আপনার সম্পূর্ণ ধারণা হয়ে যাবে অনলাইনে ইউটিউবে আপনি সকল ধরনের কাজের ট্রেনিং নিতে পারেন।

বিশ্বের অন্যতম একটি ভিডিও শেয়ারিং সেরা সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ইউটিউব যেখান থেকে আপনি যেকোন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন খুব সহজে এর জন্য আপনাকে কোন প্রকার টাকা পয়সা খরচ করতে হবে না একদম ফ্রিতে কিন্তু যেকোনো বিষয় সম্পর্কে আপনি ইউটিউব থেকে জানতে পারবেন এবং সম্পূর্ণ প্রসেসিং গুলো দেখতে পারবেন।

আপনার যদি মোবাইল ফোন সম্পর্কে ধারনা থাকে তোর সর্বপ্রথম আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এরপর হচ্ছে কিভাবে একটি মোবাইল ফোনের সমস্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা যায় বা একটি মোবাইল ফোনে কি কি কারণে সেই বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবেন একটি পোস্টের ভিতরে।

অবশ্যই আপনাকে অনলাইনে ওয়েব সাইট সম্পর্কিত কোন কাজ করতে হলে কিছু সাধারন কোডিং আপনাকে জেনে নিতে হবে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি সাধারণ কিছু কাজ করতে পারবেন অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন সেখানে আপনি অন্য একটি থিম ব্যবহার করতে পারবেন কিছু সাধারন এডিট করতে হবে যার কারণে আপনাকে অবশ্যই অল্প হলেও কিছু কোডিং জানতে হবে।

কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করে ইনকাম করবেন এই বিষয়ে সম্পর্কে আমাদের ওয়েবসাইটে পরবর্তী সময় একটি পোস্ট আপলোড করা হবে যেখানে আমরা আলোচনা করবো কি কি মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় এবং ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করে এই বিষয়গুলো জানতে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের পরবর্তী পোস্ট দেখে নিবেন।

তো আশা করি বুঝে গিয়েছেন কিভাবে একটি সেক্টর বেছে নিবেন অনলাইনে কাজ করার জন্য আপনি কিন্তু যে কোন সেক্টরে কাজ করতে পারবেন অনলাইনে কোন প্রকার সমস্যা নেই এবং প্রতিটি সেক্টরে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন যদি আপনার দক্ষতা থাকে সেই দক্ষতা খাটিয়ে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করা যাবে যে কোন সেক্টর থেকে।

অনেকেই হয়তো মনে করেন বাংলাদেশের সাধারণ সেক্টর গুলো রয়েছে সেগুলো তো মনে হয় খুব ইনকাম কম এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার ধারনাটি একদম ভুল কেননা বাংলাদেশে এমন কিছু সেক্টর রয়েছে যেগুলোতে যদি আপনি কাজ করেন তাহলে প্রতিদিন এবং প্রতি মাসে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন আপনার দক্ষতা খাটিয়ে।

দক্ষতা খাঁটি এবং ধৈর্য সহকারে একটি কাজ সম্পন্ন করবেন তাহলে কিন্তু সেই কাজটি খুব সুন্দর হবে এবং আপনার যে বায়ার রয়েছে অর্থাৎ আপনাকে যে কাজটি দিবে সে কিন্তু খুব খুশি হয়ে আপনাকে তার পরবর্তী যে কাজটি রয়েছে সেটিও আপনার মাধ্যমে করে নিবে।

আপনি অনলাইনে যে কোন সেক্টরে কাজ করেন না কেন অবশ্যই সে সেক্টরটির সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা এবং দক্ষতা অর্জন করে তারপরে চেষ্টা করবেন সেক্টরটিকে সম্পূর্ণভাবে বসে কাজ করার জন্য এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার কাজগুলো খুব ভালোভাবে করতে পারবেন এবং যার কাছ থেকে আপনি কাজগুলো নিবেন সে পরবর্তী সময় আপনাকে খুজে তার কাজ গুলো আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিবে।

অনলাইনে কাজ করে কিভাবে টাকা উত্তোলন করা যায়

অপরা কিন্তু আমরা সাধারন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি এখন আমরা আলোচনা করব যে অনলাইন থেকে ইনকাম করে কিভাবে আমরা টাকা উত্তোলন করব অনেকের মাথায় আসতে পারে এই চিন্তাটি যে অনলাইনে আমি কাজ করবো কিন্তু আমাকে টাকা দিবে কে এবং আমি কিভাবে টাকাটি হাতে পাব।

এখন এই বিশেষ সম্পর্কে আপনাদের সাথে সম্পূর্ণ আলোচনা করবো আশা করি এটি পড়ার পর আপনার সম্পূর্ণ ধারণা পাল্টে যাবে কিভাবে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন এ বিষয়ে সম্পর্কে খুব বেশি কথা না বললে যে কথাগুলো অবশ্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করব অনলাইনে আছে যে সেক্টরে আপনি কাজ করবেন সেই সেক্টরের বিভিন্ন ধরনের পলিসি রয়েছে।

আপনি কোন ওয়েবসাইটে জব করেন অর্থাৎ নিজের ওয়েবসাইট বাদে অন্য কারো ওয়েব সাইটে জব করেন এক্ষেত্রে কিন্তু তারা প্রতিদিন আপনাকে পেমেন্ট করে দেবে না প্রতিদিন কিন্তু আপনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন না এর জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটি সময়ে রয়েছে যে সময়টিতে আপনি আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যালেন্স টি উত্তোলন করতে পারবেন।

তবে সেটি বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম হতে পারে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ব্যাংক কেননা যারা দেশের বাহিরের কাজগুলো করে তারা কিন্তু শুধুমাত্র ব্যাংক এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারে ধরুন আপনি যদি ফাইবারে কাজ করেন এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার সমস্ত উপার্জন উত্তোলন করতে হবে ব্যাংক এর মাধ্যমে তাছাড়া কিন্তু আপনি উত্তোলন করতে পারবেন না।

বড় বড় মার্কেটপ্লেসগুলোর কিন্তু বেশিরভাগ সময় ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের ইউজারদের সমস্ত ডলার দিয়ে থাকে যদি আপনি সাধারণ মানুষের কাজ করবেন অর্থাৎ বাংলাদেশের যেকোনো বায়ারের কাজ করে যান সাধারণভাবে এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি তার থেকে আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং কাকে বলা হয় অর্থাৎ বিকাশ রকেট নগদ ইত্যাদির মাধ্যমে কিন্তু আপনার টাকাটি উত্তোলন করতে পারবেন।

প্রতিটি সেক্টর এর কাজ এবং টাকা উত্তোলন এর পদ্ধতি এক নয় সাধারণভাবে বলতে যদি আপনি গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি প্রতি মাসের 21 থেকে 24 তারিখের ভিতরে আপনার ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন এবং গুগল এডসেন্স কিন্তু অটোমেটিকভাবে টাকা পেমেন্ট করে দেয়।

বিষয়টি হয়তো বুঝে নিয়ে আমি ভালোভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্ট দিতে যখন 100 ডলার পূর্ণ হবে যদি আপনার এই মাসে 100 ডলার পূর্ণ হয় তাহলে পরবর্তী মাসের 21 তারিখে আপনার টাকা টি তারা অটোমেটিকভাবে সেন্ড করে দিবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট টি তে।

সর্বনিম্ন 100 ডলার হলে তারা কিন্তু আপনার ব্যাংকে টাকা টি অটোমেটিকভাবে সেন্ড করে দিবে প্রতিমাসে এবং সর্বোচ্চ কত ডলার হবে আপনার একাউন্টে সেটি কিন্তু তারা দিয়ে দিবে প্রতিমাসে এখানে কোন বাকি বকেয়া রাখবে না।

এছাড়াও যে অন্যান্য সেক্টর করে রয়েছে সেখান থেকেও কিন্তু প্রতি মাসে একবার পেমেন্ট করে কিছু কিছু করা সেক্টর হয়তোবা মাসে আনলিমিটেড ভাবে উড্রো করা যায় তবে বড় বড় যে মার্কেটপ্লেসগুলোর রয়েছে এরা কিন্তু প্রতি মাসে 1 থেকে 2 বার পাবলিশারদের পেমেন্ট দিয়ে থাকে।

অনলাইনে আপনি যদি কাজ করেন এক্ষেত্রে আপনাকে টাকা নিয়ে কোন প্রকার চিন্তা করতে হবে না যদি আপনি তাদের পরে সেগুলো মেনে কাজ করেন এক্ষেত্রে টাকা একদম নিরাপদ থাকবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যালেন্স হলে কিন্তু আপনি সেগুলো উত্তোলন করতে পারবেন তাদের পলিসি তে যে methro গুলো রয়েছে সেই গুলর মাধ্যমে।

শেষ কথা

আশা করি সকলের কাছে আমাদের আজকের বিষয় গুলো ভাল লেগেছে কেননা আজকে আমরা অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছি যারা অনলাইনে সর্বপ্রথম এসেছেন কাজ করার জন্য বা অনলাইনে কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য খুব সুন্দর একটি পোষ্ট আমরা সকলের সাথে শেয়ার করেছি যদি কারো কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনি কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারেন।

এবং কিভাবে অনলাইনে সাধারণ কিছু কাজ বা কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন আরো বিভিন্ন ধরনের অনলাইন ইনকাম সাম্প্রতিক পোষ্ট আমাদের ওয়েবসাইটে পাবলিসিটি করা হবে পোস্টটি করার কারণ হচ্ছে যারা একদম নতুন তাদেরকে উৎসাহিত করা এবং যেকোনো একটি সেক্টরে কাজ করার আগে যে বিষয়গুলো জানতে হবে এই সম্পর্কে আমাদের আজকের এই পোস্টটি করা হয়েছে।

সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং আমাদের ওয়েবসাইট এর সাথে থাকবেন নতুন কিছু জানার জন্য নতুন কিছু শেখার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.