ই-সিম কি ? দেখুন ই-সিমের সকল সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ বিস্তারিত ২০২২

হ্যালো বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম আশা করি সকলে ভালো রয়েছেন ইনশাআল্লাহ আমরা খুব ভালো আছি তাই আজকে আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন আকর্ষণের পোস্টটা নিয়ে হাজির হলাম আমরা আজকে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সে বিষয়টি হচ্ছে E-Sim কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে এই বিষয়ে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

ই-সিম কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে এরকম প্রশ্ন অনেকের থাকতে পারে কেননা বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে ই-সিম নামটি খুব কমন অর্থাৎ অনেকেই কিন্তু এই সিমটি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী এবং এই সিমটি কিভাবে ক্রয় করবেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন এই বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করা হবে এর জন্য আপনি আমাদের আজকের দুটি করবেন আশা করি সবকিছু খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

ই-সিম কি।

ই-সিম হচ্ছে একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক অর্থাৎ আমাদের বাংলাদেশে বেশ কিছু মোবাইল নেটওয়ার্ক সিম রয়েছে যার মাধ্যমে বাংলালিংক গ্রামীণ রবি এয়ারটেল টেলিটক আরো বিভিন্ন ধরনের সিম কোম্পানি আমাদের বাংলাদেশের রয়েছে সেই রকম ভাবে নতুন একটি সিম এর নাম হচ্ছে ই-সিম।

এটি বলতে পারেন একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি বা নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবস্থা এখানে অন্যান্য সিম থেকে ভিন্নতা রয়েছে যে ভিন্নতা গুলি আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যখন আপনি এই সিমটি ব্যবহার করবেন কেননা এই সিমটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে কোন প্রকার সিম কার্ড প্রয়োজন হবে না মোবাইল ফোনে প্রবেশ করানোর জন্য খুব ভিন্নতার সাথে আপনি এই ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন।

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন কোম্পানি তাদের থেকে কিন্তু ই-সিম ব্যবস্থাটি শুরু হয়েছে এবং বর্তমান সময়ে খুবই জনপ্রিয় এই সিমটি অনেকেই ক্রয় করতেছে এবং ব্যবহার করতেছে তো আপনি কিভাবে ই-সিম ক্রয় করবেন এর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম যোগাযোগ করতে হবে গ্রামীন সিম কোম্পানির বিভিন্ন রিটেল দের সাথে যারা সিম বিক্রি করে আপা আপনি গ্রামীন সিমের নিকটস্থ শোরুম কার্যালয়ে হতে একটি সিম সংরক্ষণ করতে পারেন।

গ্রামীণফোনের ই-সিম চালু।

ই-সিম আপনি খুব সহজে ক্রয় করতে পারবেন যেকোনো গ্রামীণফোন রিটেল বা শোরুম থেকে এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে সাধারণভাবে আমরা যে সিম কার্ড গুলো ক্রয় করার সময় আমাদের যে যাবতীয় কাগজপত্র প্রয়োজন হয় যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র ও হাতের আঙ্গুলের ছাপ।

আপনি যখন ই-সিম ক্রয় করতে যাবেন তখন আপনার ঠিক এইগুলো প্রয়োজন হবে কেননা এটি কিন্তু একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন হবে এই সিমটি ক্রয় করতে হলে মূলত আপনি কিন্তু কোন প্রকার সিম কার্ড পাবেন না আপনাকে একটি কাগজ দেওয়া হবে অর্থাৎ যেখানে আপনি স্ক্যানিং করে সিমটি আপনার মোবাইল ফোনে ইন্সটল করতে পারবেন।

আমরা যদি সাধারণ একটি সিম কিনে ধরুন আপনি বাংলালিংক কোম্পানি থেকে একটি সিম ক্রয় করলেন এক্ষেত্রে কিন্তু একটি সিম কার্ড আমাদেরকে দেওয়া হবে এবং সেই সিম কার্ডটি আমরা মোবাইল ফোনে প্রবেশ করালে তারপর পরবর্তী সময় সেই সিম কার্ডটি একটিভ হবে এবং সেটি দিয়ে সকল ধরনের কাজ আমরা করতে পারবো। কিন্তু ই-সিম হচ্ছে ভিন্নতা সিস্টেম।

এখানে আপনি কোন প্রকার সিম কার্ড পাবেন না শুধুমাত্র একটি কাগজ আপনাকে প্রদান করা হবে অবশ্যই এই কাগজটির প্রদান করার আগে আপনাকে যাবতীয় তথ্য তাদেরকে দিতে হবে জাতীয় পরিচয় পত্র এবং হাতের আঙ্গুলের ছাপ এইগুলো দেওয়ার পর কিন্তু আপনি এই সিমটি ক্রয় করতে পারবেন তা না হলে কিন্তু কোন ভাবে আপনি করতে পারবেন না তো এই গুলো দেওয়ার পর।

আপনাকে একটি কাগজ দেওয়া হবে যেখান থেকে আপনি খুব সহজে আপনার মোবাইল ফোনে স্ক্যানিং করে ই-সিম ইন্সটল করতে পারবেন এবং তার পরবর্তী সময় থেকে কিন্তু আপনার মোবাইল ফোনে সেটি খুব ভালোভাবে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে সকল অপারেটরের মতো আপনি ই-সিম দিয়েও যে কারো সাথে কথা বলতে পারবেন এবং সকল ধরনের কাজ করতে পারবেন এই সিমটি দিয়ে।

একটি ই-সিম কতবার ইন্সটল করা যায়।

এই সিমটি আপনি এক বছরের সর্বোচ্চ দুইবার ইন্সটল করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার মোবাইল ফোন থেকে যদি কোনো কারণে আন – সাপোর্টেড বা আনইন্সটল হয়ে যায় এক্ষেত্রে আপনি কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবার ইন্সটল করতে পারবেন খুব সহজে কিন্তু প্রতি বছরের সর্বোচ্চ দুই বার আপনি এই সিমটি ইন্সটল করতে পারবেন মোবাইল ফোনে।

এছাড়াও কিন্তু আপনি মোবাইল ফোনের লগ আউট করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে কোন প্রকার সমস্যা হবে না শুধুমাত্র স্ক্যানিং করতে পারবেন প্রতিবছরের সর্বোচ্চ দুইবার একটি মোবাইল ফোনে আপনি কিন্তু একাধিক ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা নেই এখানে লগ আউট সিস্টেম রয়েছে যেটি ব্যবহার করে আপনি অন্য একটি সিম যুক্ত করতে পারবেন না একটিভ করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি প্রতি বছরে সর্বোচ্চ দুই বার এই সিমটি ইন্সটল করতে পারবেন সেই কাগজটি থেকে স্ক্যানিং করে মূলত এই সিমটি ইন্সটল করতে হবে শুধুমাত্র এই স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে তাছাড়া কিন্তু অন্য কোন উপায় নেই এই সিমটি ইন্সটল করার বা ব্যবহার করার যদি আপনি সিমটি ব্যবহার করতে চান অবশ্যই আপনাকে স্ক্যানিং করে তারপর ব্যবহার করতে হবে শুধুমাত্র একটি উপায় রয়েছে।

ই-সিমের সুবিধা।

এটির মূলত অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে যেগুলো আপনি খুব সহজে ব্যবহার করতে পারবেন আমি কিছু সুবিধা আপনাদের সাথে শেয়ার করব যেগুলো আমার কাছে ভালো লেগেছে তো আপনার কাছে ভালো নাও লাগতে পারে এবং এই সিমটিতে কিন্তু আরো বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা রয়েছে যেগুলো আপনার কাছে কিছুটা খারাপ লাগবে সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব অবশ্যই দেখে নিবেন।

সিম কার্ড ছাড়াই আপনি এই সিমটি ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার মোবাইল ফোনে কোন প্রকার সিম কার্ড প্রবেশ করাতে হবে না এবং কোন প্রকার সিম কার্ড এর প্রয়োজন হবে না এই ই-সিম ব্যবহার করার জন্য অনেক সময় দেখা যায় আমরা সিম কার্ড খুলে রেখে দিয়ে এবং অনেক সময় সেগুলো কিন্তু হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু এটি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা একদমই নেই।

মোবাইল ফোনে একবার ইন্সটল হয়ে গেলে আপনি সেই কাগজটি ভালোভাবে রেখে দিবেন তাহলে হারিয়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই এছাড়াও আপনার মোবাইল ফোনটি যদি হারিয়ে যায় এক্ষেত্রে কিন্তু আরও একটি লাভ হয়েছে যদি আপনার মোবাইল ফোনে এই ই-সিম থাকে অর্থাৎ একটিভ করা থাকে এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি খুব সহজেই আপনার সেই মোবাইল ফোনটি লোকেশন বের করতে পারবেন।

হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন খুঁজে পাওয়ার সেরা একটি উপায় বলা যায় ই-সিম ব্যবহারকারীদের এতে আপনার অন্য কোন সমস্যা হবে না ধরুন আপনার মোবাইল ফোনে কোন সমস্যা হলো বাহির থেকে এক্ষেত্রে কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় আমাদের সিম কার্ডগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয় অথবা আপনার মোবাইল ফোনে কিন্তু একটি সিম কার্ড অপশন ফাঁকা হয়ে থাকলো।

যখন আপনি কোন একটি সিম প্রবেশ করাবেন তখন কিন্তু একটি অপশন বন্ধ হয়ে যাবে কিন্তু আপনি যদি ই-সিম ব্যবহার করেন এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার একটি অপশন বন্ধ থাকবে কিন্তু আপনার সিমটি ঠিকই চালু থাকবে শুধুমাত্র অপশনটি আমাদের মোবাইল ফোনের ভিতরে যে সিম অপশনটি হয়েছে সেটি ফাঁকা থাকবে।

আপনাকে বারবার মোবাইল ফোনের কভার খুলে সিম বের করতে হবে না বা প্রবেশ করাতে হবে না শুধুমাত্র একবার আপনার মোবাইল ফোনে এই ই-সিম ইন্সটল করে নিলে পরবর্তী সময় থেকে খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা ছাড়া যেটি খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সুবিধার দিক থেকে।

এরপর আরো একটি অন্যতম সুবিধার বিষয় হচ্ছে এখানে আপনি অনেকগুলো ই-সিম ইস্টল করে রাখতে পারবেন এবং সেইগুলো চাইলে কিন্তু আপনি অপারেটর পরিবর্তন করে ব্যবহার করতে পারবেন যদি আমরা সাধারণভাবে দুটি অপারেটরের সিম ব্যবহার করি এবং আমাদের মোবাইল কোন কিছু আগে থেকে দুইটি সিম থাকে এক্ষেত্রে কিন্তু আমাদেরকে একটি সিম বাহিরে রেখে অন্য একটি সিম প্রবেশ করাতে হবে।

কিন্তু আপনি যদি ই-সিম ব্যবহার করে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি শুধুমাত্র একাউন্ট চেঞ্জ করে অর্থাৎ এখানে কিন্তু একাউন্ট চেঞ্জ করার অপশন পাবেন যার কারণে আপনি যে কোন অপারেটরে যেতে পারবেন এটির মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি উপায় কোন প্রকার মোবাইল ফোন ব্যাটারি খুলে বা মোবাইল ফোন বন্ধ করে এ কাজগুলো আপনাকে করতে হবে না শুধুমাত্র Switch করে যে কোন অপারেটরে ব্যবহার করতে পারবেন এটি কিন্তু খুব ভালো একটি ব্যবস্থা।

এখানে কিন্তু একাধিক ই-সিম একটিভ করে রাখতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা হবে না খুব ভালো একটি ব্যবস্থা আশা করে আপনার কাছে ভালো লাগলে যদি আপনি এই সিমটি ব্যবহার করেন আপনার মোবাইল ফোনের জন্য সকল ধরনের অপারেটর ব্যবহার করতে পারবেন বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র এখানে গ্রামীণফোন সিমটি ব্যবহার করা যাচ্ছে অন্য কোন এখন পর্যন্ত নিয়ে আসেনি।

এরপর আরো একটি উপকার হচ্ছে আপনার মোবাইল ফোনটি যদি কোন কারণবশত হারিয়ে যায় এক্ষেত্রে আপনার নতুন কোন সিম তুলতে হবে না বা ক্রয় করতে হবে না অর্থাৎ আপনার ফোনে যদি ই-সিম করা থাকে এক্ষেত্রে কিন্তু ফোন হারিয়ে গেল কোন প্রকার সমস্যা নেই আপনার কাছে যে কাগজটি রয়েছে অর্থাৎ স্ক্যানিং কার্ডটি যে রয়েছে সেটি দ্বারা আপনি অন্য একটি মোবাইল ফোনে স্ক্যানিং করে সেই সিমটি আবার ব্যবহার করতে পারবেন।

যখন আপনি নতুন করে অন্য একটি মোবাইল ফোনে স্ক্যানিং করে ইন্সটল করবেন তখন অটোমেটিক ভাবে আগের মোবাইল ফোনটি থেকে Detective হয়ে যাবে সেই সিমটি শুধুমাত্র পরবর্তী সময়তে আপনি মোবাইল ফোনটিতে ইন্সটল করবেন সেই মোবাইল ফোনটিতে সিমটি এক্টিভ থাকবে তো মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে নতুন করে সিম ক্রয় করতে হবে না বা অন্য কোন কাজ করতে হবে না এটি কিন্তু সেরা একটি সুবিধা জনক দিক।

আরো বিভিন্ন ধরনের ই-সিম সুবিধা রয়েছে আমার মতে বিশেষ কিছু সুবিধা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম এখন আমরা দেখে নেব এটির অসুবিধা কি কি রয়েছে যদি খুব বেশি বড় সমস্যা নয় তারপরও আপনাদের সাথে শেয়ার করা দরকার যদি আপনি সিমটি ব্যবহার করেন অবশ্যই আপনার এগুলো আগে জানা দরকার কেননা পরবর্তী সময়ে আপনি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন বিভিন্ন কারণে।

ই-সিমের সকল অসুবিধা।

এর কিছু অসুবিধা রয়েছে যেগুলো হয়তো আপনার কাছে খারাপ লাগবে তবে খারাপ লাগে কোন সময় যখন আপনার ইমারজেন্সি পড়ে যাবে সে সময় আপনার কাছে কিছুটা খারাপ লাগবে তো কি কি আমার কাছে অসুবিধা মনে হয়েছে সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব আশা করি বিষয়গুলো আপনার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

সর্বপ্রথম যে অসুবিধাটি রয়েছে সেটি হচ্ছে আপনি সকল মোবাইল ফোনে ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন না শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনগুলোতে এই ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন এটি কিন্তু সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা যে কেউ চাইলে কিন্তু এই সিমটি ব্যবহার করতে পারব না অবশ্যই তার কাছে একটি নির্দিষ্ট মোবাইল ফোন থাকতে হবে।

শুধুমাত্র ই-সিম সাপোর্টেড মোবাইল ফোন গুলোতে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন এই সিমটি যদি আপনার কাছে ই-সিম সাপোর্টেড মোবাইল ফোনথাকে এক্ষেত্রে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা নেই।

আমি চেষ্টা করব আপনাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু মোবাইল ফোনের নাম বলে দেওয়ার জন্য যে মোবাইল ফোন গুলোতে আপনি খুব সহজে এই ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন কোন প্রকার সমস্যা হবে না পোস্টের শেষে শেয়ার করব আপনাদের সাথে নির্দিষ্ট কিছু ই-সিম সাপোর্টেড মোবাইল ফোন নিয়ে।

আরো একটি অসুবিধা হচ্ছে বাংলাদেশের শুধুমাত্র কিন্তু গ্রামীণফোন সিম এটি চালু করেছে অর্থাৎ অন্যান্য যে অপারেটর গুলো রয়েছে আমাদের বাংলাদেশ যেমন banglalink, Robi , Airtel , teletock ইত্যাদি সিম কোম্পানিগুলো এখন পর্যন্ত কিন্তু ই-সিম তাদের অপারেটর হতে প্রকাশ করেনি।

ভবিষ্যতেও হয়তোবা আমরা দেখতে পারব সকল মোবাইল ফোনে এই ই-সিম ব্যবহার করা যাবে এবং সকল মোবাইল ফোনে কিন্তু এটি সাপোর্ট করতে পারে সেটি ভবিষ্যতে দেখা যাবে বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র আপনি গ্রামীণ সিম ফোন কোম্পানি এর অপারেটর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

এরপর আরো একটি অসুবিধা হচ্ছে যেটি হয়তোবা আপনার ইমারজেন্সি সময় হতে পারে যেমন আপনার ধরুন একটি সিম কার্ড আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে রয়েছে সেটি চাইলে আপনি যেকোনো সময় খুলে অন্য একটি মোবাইল ফোনে লাগিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন যদি বাটন ফোন হোক অথবা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিন্তু যখন ই-সিম ব্যবহার করবেন তখন কিন্তু অন্য কোন মোবাইল ফোনে এটি প্রবেশ করাতে পারবেন না বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

হঠাৎ ইমারজেন্সি আপনার মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেছে এবং আপনার অন্য এক জায়গায় কল করতে হবে এই নাম্বার হতে তো তখন আপনি কি করবেন এই সিমটি তো আর অন্য কোন মোবাইল ফোনে প্রবেশ করানোর সিস্টেম নেই যদি আপনার কাছে একই সিম কার্ড থাকে সেটি অন্য একটি মোবাইল ফোনে প্রবেশ করানোর সিস্টেম রয়েছে ব্যাটারি খুলে আমরা সিম কার্ডটি সেই মোবাইল ফোন থেকে নিয়ে অন্য একটি মোবাইল ফোনে প্রকাশ করাতে পারবো।

ই-সিম যখন আপনি ব্যবহার করবেন তখন কিন্তু কোন ভাবে সম্ভব হবে না অন্য একটি মোবাইল ফোনে এন্ড্রয়েড অথবা বাটন মোবাইল ফোনে কোনভাবেই সিমটি প্রবেশ করানো।

আমার কাছে এই গুলো অসুবিধা মনে হয়েছে আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থাকতে পারে আপনার কাছে হয়তো বা সমস্যা মনে হবে তো আশা করব এই বিষয়গুলি অবশ্যই লক্ষ্য রেখে তারপর আপনি ই-সিম ব্যবহার করবেন তাহলে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

ই সিম সাপোর্ট মোবাইল।

শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মোবাইল ফোনে আপনি ই-সিম ব্যবহার করতে পারবেন তাছাড়া অন্য কোন মোবাইল ফোনে কিন্তু আপনি এটি কোন ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন না ভবিষ্যতে হয়তোবা সকল ফোনে ব্যবহার করা যেতে পারে সেটি আমরা এনাউন্সমেন্ট বা প্রকাশ হলেই দেখতে পারবো।

ই-সিম সাপোর্টেড মোবাইল ফোন গুলোর নাম আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি যদি আপনার এই মোবাইল ফোন গুলো থেকে থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ার হতে ই-সিম ক্রয় করতে পারেন।

I phon – আপনি যেকোনো মডেল মোবাইলের আইফোনে ব্যবহার করতে পারবেন ই-সিম প্রকার সমস্যা হবে না এছাড়াও google এর যে মোবাইল ফোন গুলো রয়েছে সেখানেও আপনি ব্যবহার করতে পারবেন স্যামসাংয়ের কিছু মোবাইল ফোন রয়েছে যেগুলোতে ব্যবহার করা যাবে ই-সিম।

ই-সিম সাপোর্টেড মোবাইল ফোন

Samsung E-sim Supported phon:

Samsung Galaxy S20
Samsung Galaxy S20+
Samsung Galaxy S20 Ultra
Samsung Galaxy S21
Samsung Galaxy S21+ 5G
Samsung Galaxy S21+ Ultra 5G
Samsung Galaxy S22
Samsung Galaxy Note 20
Samsung Galaxy Note 20 Ultra

Iphon E-sim Supported phon:

** IPhone 11 Series: iPhone 11
iPhone 11 Pro,
iPhone 11 Pro Max.

** IPhone 12 Series: iPhone 12 Mini, iPhone 12, iPhone 12 Max, iPhone 12 Max Pro.

** IPhone 13 Series: iPhone 13 Mini, iPhone 13, iPhone 13 Pro, iPhone 13 Pro Max.

** IPhone X Series: iPhone XS, iPhone XS Max, iPhone XR.

কিছু মোবাইল ফোনের নাম আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম এছাড়াও আপনি ইউটিউব বা গুগল থেকে আরও কিছু মোবাইলের নাম সংরক্ষণ করতে পারেন কোন প্রকার সমস্যা নেই আমার জানামতে এবং আমি রিচার্জ করে এই নাম গুলো পেয়েছি চাইলে আপনি এই গুলো ছাড়াও আরো কিছুটা রিচার্জ করে অন্যান্য মোবাইল ফোনের নাম গুলি জেনে নিতে পারেন।

আশা করি আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে যদি কোন প্রকার সমস্যা হয় বুঝতে এবং আপনার কাছে যদি কোন প্রকার কিছু ভুল মনে হয় তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আমি এই সমস্ত বিষয়ে অনলাইন থেকে সংরক্ষণ করেছি অর্থাৎ অনলাইনে রিসার্চ করে আপনাদের সাথে বিষয়গুলো শেয়ার করলাম।

কোন কিছু ভুল হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আপনার কাছে আমাদের আসার আগে গেলে কেমন লেগেছে এটিও কমেন্ট করে জানাবেন ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন তারাও যেন জানতে পারে ই E-Sim সম্পর্কে।

সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.