এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার নিয়ম৷ এসইও ফ্রেন্ডেলি কন্টেন্ট লিখুন খুব দ্রুত এবং সহজে৷

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার নিয়ম৷ কিভাবে সুন্দর একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন৷ নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে এই বিষয় সর্ম্পকে হয়তোবা অনেকেই জানার জন্য আগ্রহী হয়েছেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা.হবে৷

বিশেষ করে যারা ব্লগিং করতে চাচ্ছে না অথবা যারা লেখালেখি করে ইনকাম করতে চান অনলাইন থেকে তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লেখা জরুরি।

এই বিষয় নিয়ে আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি সুন্দর একটি কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল তৈরি করবেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বা যেকোনো কাজের জন্য সুন্দর একটি আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন যদি আপনি আমাদের আছে পুরো পোস্টটি দেখেন।

একটি ওয়েবসাইট বা যে কোনো বস্তু বিষয়ের টেক্সট আকারে প্রকাশ করার জন্য আমাদেরকে একটি কনটেন্ট তৈরি করতে হয় এবং সেটি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করতে হয় যেন মানুষ সেই কনটেন্ট দেখে আমাদের বিষয়বস্তু গুলি খুব সহজেই বুঝতে পারে এর জন্য আমরা আর্টিকেল তৈরি করে থাকি।

সর্বপ্রথম জানতে হবে আর্টিকেল এবং কনটেন্ট এর মধ্যে পার্থক্য কি কেননা অনেকেই হয়তো জানেন না এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে অনেকেই হয়তো জানেন না কনটেন্ট এর অর্থ কি অবশ্যই এই বিষয়গুলো আগে আপনাকে জানতে হবে কেননা আমরা একই বিষয় বলে থাকে কনটেন্ট , আর্টিকেল , পোস্ট ইত্যাদি।

এর সংজ্ঞা কিন্তু একই ধরনের হয়ে থাকে কিন্তু আমরা আলাদা আলাদা শব্দ ব্যবহার করি এই কাজের ক্ষেত্রে তো আমরা এই তিনটি শব্দের অর্থ সর্বপ্রথম জেনে নেব এবং পরবর্তী আমরা আমাদের মেইন টপিকে চলে যাবো এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার বিষয় সম্পর্ক গুলো নিয়ে।

কনটেন্ট মানে কি বা এর অর্থ কি ? তা জানেন না অবশ্যই দেখে নিবেন কনটেন্ট শব্দটির অর্থ কি হবে আমরা আর্টিকেল বা অন্যান্য শব্দ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটিও কিন্তু ব্যবহার করে থাকি বুঝানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে কনটেন্ট এর অর্থ কি ? কনটেন্ট এর অর্থ সাধারণত বলা যায় “বিষয়বস্তু” সংজ্ঞা ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে।

এখন আমরা দেখে নেবো আর্টিকেল এই শব্দটির অর্থ কি মূলত (Article) শব্দটি এসেছে ইংরেজি থেকে এই শব্দটি কিন্তু বাংলা নয় এর বাংলা অর্থ হচ্ছে প্রবন্ধ, বিষয়বস্তু, সামগ্রী, দ্রব্য, জিনিস, চিজ, বস্তু, অনুচ্ছেদ, ইত্যাদি বলে এটিকে বোঝানো হয়।

আশা করি এই দুটি বিষয়বস্তু আপনি খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন এবং অর্থ গুলি অবশ্যই মনে রাখবেন এই দুটি মিনিং দিয়ে অর্থ কিন্তু এ কি বুঝানো হয়েছে অর্থাৎ আর্টিকেল এবং কনটেন্ট সাধারণ মিনিং অর্থ একই ধরনের হয়ে থাকে।

আশা করি যারা জানেননা তাদের ক্ষেত্রে ভালো হবে এই বিষয়গুলো জেনে রাখলে কেননা অনেক সময় আমাদেরকে এই বিষয়গুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে হয় এখন আমরা জানবো কিভাবে একটি কোয়ালিটিফুল এবং এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করতে হবে কি কি প্রয়োজন একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করতে সেই বিষয় সম্পর্কে।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার নিয়ম।

আমাদেরকে সর্বপ্রথম জানতে হবে এসইও কি ? কেন আমরা যদি এই বিষয়টি সম্পর্কে না জানি তাহলে কিন্তু আমরা কোয়ালিটি বা সন্দর আর্টিকেল তৈরি করতে পারব না কোন ভাবে অবশ্যয় আপনাকে আগে জানতে হবে এসইও এর অর্থ কি বা এটি দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে অবশ্যই মনে রাখবেন এসইও এর অর্থহচ্ছে “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

আপনি যদি একটি কনটেন্ট তৈরি করেন সেটি এসইও ফ্রেন্ডলি হলে আপনার সেই কনটেন্টই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ওয়েবসাইটের জন্য কেননা যখন আপনি একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করবেন তখন সে আর্টিকেলটি সার্চ ইঞ্জিনে খুব দ্রুত প্রথম পেজে আসার চেষ্টা করবে যখন আপনার আর্টিকেল সম্পূর্ণভাবে গুগোল বুঝতে পারবে এবং আপনি কি বিষয় নিয়ে আর্টিকেলটি তৈরি করেছেন।

এইগুলি যখন গুগোল বুঝতে পারবে তখন আপনার আর্টিকেলটি খুব দ্রুত সেই কিওয়ার্ড সম্পর্কিত প্রথম পেজে চলে আসবে কেননা আপনি যদি একটি বিষয় খুব ভালোভাবে আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে তুলে ধরতে পারেন তাহলে সেটি গুগল সবচেয়ে প্রাধান্য বেশি দেবে অবশ্যই আপনার কনটেন্ট সুন্দর এবং এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে তাহলেই কিন্তু প্রথম পেজে আসা সম্ভব।

একটি আর্টিকেল এসইও ফ্রেন্ডলি করার জন্য বিশেষ কিছু গুরুত্ব বা বিশেষ কিছু দিক নজর রাখতে হবে যে দিনগুলো নজর করে আমাদেরকে কাজগুলো করতে হবে অবশ্যই খুব ভালোভাবে কাজগুলো করতে হবে তাহলে আমরা সুন্দর একটি কনটেন্ট তৈরি করতে পারব ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে বা যে কোনো বিষয়বস্তু টেক্সট আকারে বুঝানোর জন্য।

ভিডিও আকারে বুঝানোর জন্য আমরা ব্যবহার করে থাকি ইউটিউব বা আরও বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে আমরা ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে সেগুলো আপলোড করে থাকি। যখন আপনি টেক্সট আকারে বুঝাতে যাবেন অবশ্যই তখন আপনাকে এসইও অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যেন সম্পূর্ণভাবে হয় সেই রকম ভাবে একটি আর্টিকেল তৈরি করতে হবে সে বিষয়ে বস্তু সম্পূর্ণ ভাবে বোঝানোর জন্য মানুষকে।

আপনাকে অবশ্যই যেকোনো বিষয় সম্পর্কে লেখা আগে এসইও এর দিকে নজর রাখতে হবে কেননা আপনি যে বিষয়টি নিয়ে একটি আর্টিকেল তৈরি করবেন সেই বিষয়টি যেন সম্পূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি হয় যেকোনো বিষয় কিন্তু আমরা এসইও ফ্রেন্ডলি করতে পারব অবশ্য এজন্য আমাদেরকে খুব ভালোভাবে রিসার্চ করতে হবে এবং সঠিক কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে কনটেন্ট তৈরি করার জন্য।

আমরা অনেকেই আছি যারা কনটেন্ট বা পোস্ট আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য লিখি কিন্তু সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করি না যার কারণে আমাদের পোস্টগুলি গুগলে খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছায় না এবং আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে কোন প্রকার ট্রাফিক ভিজিটর আনতে সক্ষম হই না।

যখন আমরা এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার প্রতি আগ্রহ দেখাবে এবং প্রতিটি পোষ্ট এসইও ফ্রেন্ডলি লেখার চেষ্টা করব কখনোই সম্ভব হবে আমাদের ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা গুগল থেকে ভিজিটর আনার জন্য শুধু মাত্র গুগল থেকে ট্রাফিক আনার ক্ষেত্রে নয় আপনি আরও বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে ট্রাফিক আনতে পারবেন খুব দ্রুত সময়ে।

আপনাকে এসইও ফ্রেন্ডলি একটি আর্টিকেল তৈরি করার জন্য যে সকল বিষয়ে নজর দিতে হবে তার মধ্যে সর্বোচ্চ উল্লেখযোগ্য হচ্ছে , বিষয়বস্তুর টাইটেল, পার্মালিঙ্ক , ট্যাংগ কোড , ইত্যাদি কোড সম্পর্কে অবশ্যই আপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার জন্য।

তাহলে কিন্তু সেই আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি হবে এবং মানুষের কাছে খুব দ্রুত পৌঁছাবে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে যখন কেউ আপনার কী-ওয়ার্ডটি গুগলের সার্চ করবে তখন অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে পোস্ট সেই ইউজার এর সামনে শো করানো হবে যদি আপনি সুন্দর ভাবে ও আপনার আর্টিকেলটি ডিজাইন করতে পারেন এক্ষেত্রে।

কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায়।

কনটেন্ট রাইটিং শিখার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রথমে বিভিন্ন বিষয়ের উপর রিসার্চ করতে হবে তাহলে আপনি সঠিকভাবে পরবর্তী সময়ে কনটেন্ট লিখতে পারবেন যেকোন বিষয়ের উপরে কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই। অবশ্যই সর্বপ্রথম আপনাকে সঠিকভাবে রিচার্জ করতে হবে যে বিষয়বস্তু নিয়ে আপনি একটি কনটেন্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন।

কেননা হুট করে কিন্তু একটি কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব নয় আপনি তৈরি করতে পারবেন কিন্তু সেই বিষয়বস্তুটি সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে পারবেন না বা প্রকাশ করতে পারবেন না যার কারণে আপনার কনটেন্টটি যদি অনেক বড় হয় তারপরও সঠিক ভাবে বুঝা সম্ভব হবে না অন্য কারো ক্ষেত্রে।

যারা একদম নতুন তাদের ক্ষেত্রে একটি কনটেন্ট তৈরি করা খুবই মুস্কিল এর বিষয় হয়ে যায় কেননা তারা বুঝতে পারে না সেই কনটেন্টটিতে তারা কী লিখবে যদি আপনি একদম নতুন হয়ে থাকেন তাহলে যেকোনো বিষয়ে আপনি একদম সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষ করে ফেলবে অর্থাৎ সে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করতে পারবেন না সেই ধারণা হলো আপনার আসবে না কখনোই।

এক্ষেত্রে আপনাকে সর্বপ্রথম কিওয়ার্ড রিচার্স  করতে হবে এবং দেখতে হবে অন্যরা কিভাবে সেই সম্পর্কে আর্টিকেল তৈরি করতেছে বা কনটেন্ট লিখতেছে হয়েছে যদি আপনি একটি বিষয় লক্ষ করেন যে বিষয়টি দ্বারা আপনি একটি কনটেন্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন সেটি গুগলের সর্বপ্রথম সার্চ করে নেবে এবং প্রথম রেজাল্টে যে ওয়েবসাইটটি শো করানো হবে আপনি সেখানে প্রবেশ করবেন এবং দেখবেন।

কিভাবে সেই বিষয়বস্তুটি প্রদর্শন করেছে বা প্রকাশ করেছে টেক্সট আকারে এবং কি কি বিষয় উল্লেখ করেছে সেই বিষয় সম্পর্কে আপনি এই বিষয়গুলো আগে দেখে নিবেন এবং ভালো করে পড়ে নিবেন যেন আপনি পরবর্তী সময় এইরকম ভাবে আপনার মন মত করে বা ওয়ার্ড চেঞ্জ করে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল বা কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন

যারা একদম নতুন তাদের ক্ষেত্রে এই কাজগুলি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই ক্ষেত্রে আপনি খুব দ্রুত একজন প্রফেশনাল কনটেন্ট রাইটার হতে পারবেন এবং যেকোন বিষয় সম্পর্কে যে বিষয়বস্তু খুব সুন্দর ভাবে একটি কনটেন্ট এর মধ্যে তুলে ধরতে পারবেন।

যখন আপনি একজন প্রফেশনাল কনটেন্ট রাইটার হয়ে যাবেন তখন কিন্তু আপনাকে আর এইভাবে গুগলে সার্চ করে সেই বিষয় সম্পর্কে জানতে বা দেখতে হবে না কেননা তখন আপনি খুব সহজেই একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন আপনার মন মত করে এবং সবকিছু আপনি নিজেই করতে পারবেন তখন আপনাকে অন্য কারো কাছ থেকে কিছু দেখতে বা শিখতে হবে না।

বাংলা এসই ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম।

আপনি কিন্তু খুব সহজভাবে একটি বাংলা এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে পারবেন সকল ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আর্টিকেল লেখা খুবই সহজ কেননা বাংলা ভাষার আর্টিকেলগুলো গুগলে খুব সহজভাবে প্রথম পেজে আনা যায় অর্থাৎ খুব সহজভাবে ব্যাংক rank করানো সম্ভব হয়ে থাকে।

যদি আপনি ইংরেজিতে একটি আর্টিকেল তৈরি করেন এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার আর্টিকেলটি দ্রুত rank করবেনা কেননা বিশ্বের ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা হচ্ছে ইংরেজি যেটি দ্বারা সকল দেশে প্রায় আর্টিকেল লেখা হয়ে থাকে যদি আপনি একটি বাংলায় আর্টিকেল তৈরি করেন এক্ষেত্রে খুব সহজভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের কাজগুলো খুব দ্রুত শেষ করতে পারবেন।

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে একটি আর্টিকেল তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই বিষয়টি সম্পর্কে আগে ভাবুন এবং পরবর্তী সময়ে সে বিষয়টি সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করুন আমি সহজ একটি উপায় বলে দিচ্ছি যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার যেকোন বিষয় সম্পর্কে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন একদম ফ্রিতে।

যদি আপনি পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ ব্যবহার করতে চান এক্ষেত্রে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের টুলস ওয়েবসাইট যেগুলোর মাধ্যমে আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন কিন্তু আপনি যেকোন ধরণের Keyword একদম সহজে পেয়ে যাবেন সহজ একটি বিষয় অবলম্বন করে যেটি আমি নিজেও অবলম্বন করতেছি আর্টিকেলটি সুন্দরভাবে তৈরি করার জন্য এরকম বিষয় হয়তোবা আপনি সকল জায়গায় দেখতে পারবেন না।

ধরুন আপনি একটি আর্টিকেল দেখবেন এবং সেই আর্টিকেলটি মেইন কি ওয়ার্ড হচ্ছে “অনলাইন থেকে ঘরে বসে ইনকাম” আপনি যদি এই Keyword একটি আর্টিকেল লিখতে চান তা তো খুব সহজেই কিন্তু এসইও ফ্রেন্ডলি একটি কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন এবং কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন সে সম্পর্কে এখন আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

আপনি সর্বপ্রথম চলে যাবেন গুগলে এবং সেখানে গিয়ে সার্চ করবেন “অনলাইন থেকে ঘরে বসে ইনকাম” এখান থেকে আপনাকে যে বিষয়টি লক্ষ করতে হবে সেটি হচ্ছে আমরা যখন যে কোন বিষয়ের উপর গুগলে সার্চ করি তখনই সে দেখতে পারি যে বাংলা “লোকেরা এটাও সার্চ করেছে

ইংরেজিতে লেখা থাকে “people also ask for” এই নামে আপনি গুগলে সার্চ করার পর অর্থাৎ যেকোনো বিষয়ে প্রশ্ন সার্চ করার পর এই রকম একটি অপশন দেখতে পারবেন কিছুটা নিচের দিকে এখানে বুঝানো হয়েছে মানুষ আপনি যে বিষয়টি সম্পর্কে সার্চ করেছেন এই কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে মানুষ আরও সার্চ করেছে যে বিষয়গুলি বা কি কি লিখে সার্চ করেছে।

এগুলো কিন্তু খুব সহজে আপনি দেখতে পারবেন এবং এখান থেকে আপনি কিবোর্ড নিতে পারবেন একটি বিষয়ের উপর এখানে কিবোর্ড এখানে দেখতে পারবেন আমি নিচে স্ক্রিনশট দিয়ে দিচ্ছি যদি আপনি এটি লক্ষ করেন তাহলে দেখতে পারবেন যে আমি একটি কিওয়ার্ড সার্চ করেছিলাম গুগলে সেখানে এই অপশনটি এসেছে মানুষ কিন্তু এই সম্পর্কিত একটি উপকূলে একাধিকবার সার্চ করেছে।

উপরে একটি বিষয় লক্ষ্য করুন আমি সার্চ করেছি অনলাইন থেকে ঘরে বসে ইনকাম এটিও মানুষ সার্চ করে কিন্তু এছাড়াও আরো মানুষ যে কি-ওয়ার্ড একাধিকবার সার্চ করেছে সেটি কিন্তু গুগোল আলাদাভাবে একটি সেটিং করে দিয়েছ মানুষ এই কীওয়ার্ড গুলো খুব বেশি পরিমাণে গুগলে সার্চ করে এই সম্পর্কিত অর্থাৎ অনলাইন সম্পর্কে।

আপনি কিন্তু আপনার আর্টিকেল এর জন্য সঠিক কিওয়ার্ড একদম সহজে এখান থেকে পেয়ে যাবেন আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লিখতে চাচ্ছেন সেই বিষয়টি গুগলে সার্চ করবেন এবং নিচে থাকা এই রকম একটি বক্স দেখতে পারবেন যেখানে মানুষ সেই বিষয়টি সম্পর্কে কি কি জানতে চাচ্ছে এই গুলি দেখতে পারবেন খুব সহজে আপনার জন্য একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করা সম্ভব হয়ে যাবে।

এবং এখানে যে মানুষ প্রশ্ন গুলি করেছে বাজে প্রশ্নগুলি মানুষ গুগোল এ সার্চ করে আপনি চেষ্টা করবেন সেই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দেওয়ার তাহলে কিন্তু আপনার আর্টিকেলটি গুগলের প্রথম পেজে খুব দ্রুত চলে আসবে কেননা যারা সঠিকভাবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে একটি আর্টিকেল তৈরি করে তাদের জন্য খুব দ্রুত পোস্টগুলি গুগলের প্রথম পেজে বা ১ থেকে ৫ এর ভিতরে চলে আসে।

এখন আমরা আলোচনা করব কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল অন পেজ এসইও সম্পূর্ণভাবে শেষ করবেন অর্থাৎ একটি আর্টিকেল এসইও ফ্রেন্ডলি করার জন্য যা যা করতে হয় আর্টিকেলটির ভিতরে সে বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করব অবশ্যই এই বিষয়গুলি আপনার প্রতিটি আর্টিকেলে করার চেষ্টা করবেন।

এক্ষেত্রে অন-পেজ এসইও খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে এবং আরও বিশেষ কিছু কার্যকারী রয়েছে এই কাজগুলো করার মাধ্যমে যেগুলো আমি বিস্তারিত ভাবে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনি যেন খুব সহজভাবে বুঝতে পারেন এই কাজগুলি আপনার জন্য অবশ্য একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার ক্ষেত্রে। চলুন দেখেনেই।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার জন্য “পার্মালিংক” কিভাবে দিবেন ?

আমাদেরকে সর্বপ্রথম আমাদের আর্টিকেলের Permalink সম্পর্কে জানতে হবে অনেকেই হয়তো এ Permalink সম্পর্কে জানেন না কেননা এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এবং অনপেজ এসইও এর ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এই কাজটি করতে হবে তাহলে অনপেজ এসইও আপনার একটি ধাপ সম্পন্ন হয়ে যাবে এটি কিন্তু অনপেজ এসইও এর একটি ধাপ যেটি অবশ্যই আপনাকে পূরণ করতে হবে অনপেজ এসইও সম্পন্ন করার জন্য।

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে একটি আর্টিকেল তৈরি করবেন বা কনটেন্ট লিখবেন সেই বিষয় সম্পর্কিত এবং মেইন কিওয়ার্ড দিয়ে একটি পার্মালিংক তৈরি করবেন কেননা যখন গুগোল আমরা যে কোনো বিষয়বস্তু সার্চ করার পর রেজাল্ট দেখতে পারি সেখানে কিন্তু আমাদেরকে ওয়েবসাইটের সেই পোষ্টের পার্মালিংক শো করানো হয়ে থাকে।

এবং যারা এসইও ফেলে আর্টিকেল তৈরি করে ও তাদের ওয়েবসাইটে খুব বেশি পরিমাণে ট্রাফিক দেখতে পান গুগল থেকে তাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট গুলির পার্মালিংক আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পারবেন সেখানে পোষ্টের মেইন কি ওয়ার্ড দিয়ে পার্মালিংক তৈরি করা হয়েছে যার জন্য তাদের আর্টিকেলগুলো খুব দ্রুত গুগলে rank করে থাকে।

সেই রকমভাবে আপনিও চেষ্টা করবেন আপনার আর্টিকেলটির মেইন কি ওয়ার্ড পার্মালিংক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য কিন্তু আপনার অনপেজ এসইও এর একটি জরুরী ধাপ সম্পন্ন হয়ে যাবে যেটি আমরা সকলেই করতে চাই যেন আমাদের আর্টিকেলটি গুগলে খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছায় মানুষ যেন আমাদের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।

আপনাকে আরো চেষ্টা করতে হবে আপনার ওয়েবসাইটের পোষ্টের “Short Permalink” তৈরি করার জন্য এটিও কিন্তু অনপেজ এসইও এর একটি ধাপ চেষ্টা করবেন খুব ছোট একটি পার্মালিংক তৈরি করার জন্য অনেক সময় আমরা অনেক বড় পার্মালিঙ্ক তৈরি করে থাকে যার কারণে সঠিকভাবে গুগোল সেটি বুঝতে পারে না যদি আপনি মেইন কি ওয়ার্ড প্রকাশ করেন আপনার পার্মালিনক এ এক্ষেত্রে খুব ভালো হবে।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার জন্য
H1, H2, H3, H4, TAG ব্যবহার করা।

আপনাকে পরিপূর্ণ একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার জন্য অবশ্যই ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ bold TAG যার মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট একটি প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে দিতে পারবে আমরা যদি একটি ওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল তৈরি করার চেষ্টা করি অবশ্য সেখানে কিছু চমক দেওয়ার থাকে সেগুলো আপনি ত্যাগের মাধ্যমে দিবেন।

প্রতিটি পোস্টে চেষ্টা করবেন এই ট্যাগগুলি ব্যবহার করার জন্য এক্ষেত্রে আপনার পোস্টটি আরো খুব দ্রুত গুগোল এ আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এই প্যাকগুলো অনপেজ এসইও ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে আপনাকে অবশ্যই প্রতিটি আর্টিকেলে ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে আর্টিকেলটি সুন্দর করার জন্য এবং ডিজাইন করার জন্য।

মাঝেমধ্যে দেখতে পারবেন আমি লেখাগুলো একটু বড় করে দিয়েছি এইগুলো কিন্তু কোড এর মাধ্যমে করা হয়েছে আপনি কিন্তু খুব সহজে এই কোডগুলো ব্যবহার করে আপনার পোস্টের চমক শিরোনামগুলো প্রদর্শন করতে পারে না যার মধ্য দিয়ে আপনার আর্টিকেলটি আরও সুন্দর এবং আরো এসইও ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবে আমি আমার প্রতিটি আর্টিকেলে চেষ্টা করি এই কোডগুলো ব্যবহার করার জন্য।

আপনি যখন একটি আর্টিকেল তৈরি করবেন তখন আপনার বিভিন্ন ধরনের কোড প্রয়োজন হবে তার মধ্যে অন্যতম কোড হচ্ছে এইগুলি এছাড়াও আপনি আপনার মেইন কিওয়ার্ড প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করবেন strong এই কোডটি যার মাধ্যমে প্রতি 100 ওয়ার্ড থেকে 200 ওয়ার্ড এর ভিতরে আপনার মেইন কি ওয়ার্ড ফোকাস বা সঠিকভাবে প্রদর্শন করার জন্য এক্ষেত্রে খুব সহজভাবে আপনার আর্টিকেলটি বুঝা যাবে।

যেমনটি দেখতেছেন আমি আমার পোস্টে মাঝেমধ্যে এবং বেশিরভাগ সময় কিন্তু কোডিং এর মধ্য থেকে এই কোড ব্যবহার বেশি করি কেননা এটি দ্বারা আমার মেইন কি ওয়ার্ড বা যে বিষয়টি অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে সেই বিষয়টি বল্ড বা বড় করে দেওয়ার চেষ্টা করি এই বড় করার কোড উপরে আমি দিয়ে দিয়েছি সেটি আপনি ব্যবহার করে আপনার পোস্টটি আরও সুন্দর এবং এসইও ফ্রেন্ডলি করতে পারেন।

এছাড়া আপনার যদি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট হয়ে থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে ওয়াডপ্রেস এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার নিয়ম দেখে নিতে পারেন এখান থেকে আপনি খুব সহজভাবে আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন এবং ডিজাইন করতে পারবেন অন্যান্য সিস্টেমের থেকে সিস্টেমটি আপনার কাছে একদম সহজ হবে বিভিন্ন ধরনের কোডিং সহ ইত্যাদি কাজ করার ক্ষেত্রে।

একটা আর্টিকেল লেখার পর ওয়ার্ডপ্রেস আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ডে এসে এখান থেকে আর্টিকেলটিতে সকল ধরনের কোডিং ব্যবহার করতে পারবেন এর জন্য আমি নিচে একটি স্ক্রিনশট দিয়ে দিচ্ছি দেখে নিতে পারেন আমি কিন্তু আর্টিকেল লেখার পর এখান থেকে এসে সকল ধরনের কোডিং ব্যবহার করে থাকি আপনিও কিন্তু খুব সহজে এখান থেকে কোডগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কোড ব্যবহার করতে হবে এটি বাধ্যতামূলক একটি ছাড়া কেন্দ্র কোন ভাবে আপনার আর্টিকেলটি কীওয়ার্ড ফোকাস বা ফ্রেন্ডলি করতে পারবেন না অবশ্যয় আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কোড ব্যবহার করতে হবে আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি করার জন্য এবং সুন্দরভাবে তৈরি করার জন্য।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল তৈরি করার জন্য ছবি ইমেজ ব্যবহার করতে হবে।

আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে একটি আর্টিকেল তৈরি করেন না কেন এসইও ফ্রেন্ডলি সম্পন্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে সেই আর্টিকেলটি কমপক্ষে দুটি ছবি ব্যবহার করতে হবে এক্ষেত্রে আপনার আর্টিকেল দূরত্ব গুগোল এ পর্যাপ্ত পরিমাণে মানুষের কাছে পৌছাবে কেননা যে আর্টিকেলটিতে আপনি ছবি ব্যবহার করবেন সে আর্টিকেলটিতে গুগোল বেশি প্রাধান্য দিবে।

যেকোনো ধরনের আর্টিকেলে ছবি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন এক্ষেত্রে আপনার আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি সহ আরও বিভিন্ন ধরনের কাজে ভালো হবে। অবশ্যই আপনাকে অরজিনাল ছবি ব্যবহার করতে হবে অন্য কোন জায়গা থেকে যদি আপনি ছবি কপি করে বা সংরক্ষণ  আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিসিটি করেন এক্ষেত্রে এটি কিন্তু কপিরাইটিং এর আওতাধীন পড়ে যাবে যার কারণে আপনার আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি হবে না।

যদি আপনি ছবি অন্য কোন জায়গা থেকে সংরক্ষণ করেন এক্ষেত্রে আপনার ছবিটি আপনার মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে খুব সুন্দর ভাবে এডিট করে আরো উন্নত মানের ডিজাইন করে নেবেন যেন ছবিটি আপনার নিজের বলে মনে হয় সরাসরি অন্য কোন ছবি অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে ছবি সংরক্ষণ করে আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করবেন না এক্ষেত্রে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল হবে না।

ছবির সাইজ এদিকে কিছুটা লক্ষ রাখবেন অনেক সময় আমরা খুব বেশি মেগাবাইট এর ছবি ব্যবহার করে থাকি ওয়েবসাইটে এক্ষেত্রে আপনার খুব বড় একটা সমস্যা দেখা যাবে সেটি হচ্ছে ওয়েবসাইটের speed একদম কমে যাবে অর্থাৎ ধীরগতিতে আপনার ওয়েবসাইটের লডিং হবে যার কারণে ইউজাররা কিন্তু বিরক্ত হতে পারে।

অবশ্যই চেষ্টা করবেন 50 থেকে 100 কেবি এর ভিতরে ছবিগুলো ব্যবহার করার জন্য যে কোন অ্যাপ দিয়ে আপনি ছবিগুলো ডিজাইন করেন না কেন যদি সেই ছবিগুলো ডিজাইন করার পর মেগাবাইট অতিরিক্ত বেড়ে যায় তখন আপনি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ছবি কমপ্রজ ওয়েবসাইট রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করে ছবির মেগাবাইট কমাতে পারেন অনলাইনে সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন।

শেষ কথা।

আশাকরি আমাদের আজকের বিষয়গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে যদি কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হয়ে থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন আপনার মতামত এবং পরবর্তী সময় আপনাদের কি কি পোস্ট প্রয়োজন হবে সে বিষয়ে কমেন্ট করে জানাতে পারেন যদি আপনার বুঝতে সমস্যা হয় আমরা সেটা সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।

প্রতিনিয়ত টেকনোলজির নতুন কিছু শিখার জন্য নতুন কিছু জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন সবাই ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.